৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ রবিবার || ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম:
সেঞ্চুরি মিস করে ব্যাট ছুড়ে মারলেন গেইল আশা করি, পুলিশ সদস্যরা জনতার পুলিশে পরিণত হবে: প্রধানমন্ত্রী মক্কায় মসজিদ আল হারামের গেটে ‘গাড়িহামলা’ সালিশি বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা বাচ্চার জন্য ওষুধ কিনতে গিয়ে যৌন নিপীড়নের শিকার মা বন্ধ হচ্ছে করোনা লাইভ বুলেটিন, তথ্য মিলবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্বর্ণ ব্যবসায়ীর টাঙ্গাইল এর বিশেষ অভিযানে ০৬ (ছয়) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভেঙে পড়লো টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর ব্রিজ টাঙ্গাইলে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক ধরা পড়লো বহুল আলোচিত মধুপুরের চার হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সাগর আজ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বাড়ছে পেঁয়াজের ঝাঁজ ম্যানসিটিকে হারিয়ে ফাইনালে আর্সেনাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ এসপির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীসহ আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা, আটক ৩ ব্রিজ ভেঙে সিমেন্টবোঝাই ট্রাক বিলে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন লাল বাদশার দাম ৮ লাখ টাকা
 

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ৮৫তম জন্মদিন কাল

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ৮৫তম জন্মদিন আগামীকাল। ১৯৩৫ সালের ৮ মে তিনি মাগুরা জেলায় মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। সাজেদা চৌধুরীর বাবা সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। তার স্বামী গোলাম আকবর চৌধুরী ছিলেন বিশিষ্ট বীমা ব্যক্তিত্ব।

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত মহিলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, মুক্তিযুদ্ধকালীন কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৭৪ সালে গ্রামীণ উন্নয়ন ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য ইউনেস্কো ফেলোশিপ প্রাপ্ত হন। একই বছর তিনি বাংলাদেশ গার্ল-গাইড অ্যাসোসিয়েশনের ন্যাশনাল কমিশনার হিসেবে সর্বোচ্চ সম্মানসূচক সনদ ‘সিলভার এলিফ্যান্ট পদক’ লাভ করেন।

তিনি ২০০০ সালে আমেরিকান বায়োগ্রাফিক্যাল ইনস্টিটিউট কর্তৃক ‘উইমেন অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি ২০১০ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ২১২ ফরিদপুর ২ আসন থেকে সপ্তম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তৃতীয়বারের মতো সংসদ উপনেতা নির্বাচিত হন।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সমাজ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সম্পৃক্ত আছেন। শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে তিনি অবদান রেখে চলেছেন।

মন্তব্য করুন: