৭ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার || ২৩শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম:
ভেঙে পড়লো টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর ব্রিজ টাঙ্গাইলে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক ধরা পড়লো বহুল আলোচিত মধুপুরের চার হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সাগর আজ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বাড়ছে পেঁয়াজের ঝাঁজ ম্যানসিটিকে হারিয়ে ফাইনালে আর্সেনাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ এসপির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীসহ আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা, আটক ৩ ব্রিজ ভেঙে সিমেন্টবোঝাই ট্রাক বিলে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন লাল বাদশার দাম ৮ লাখ টাকা করোনায় আক্রান্ত এমপি জোয়াহের ঘরকে ঠান্ডা রাখার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি বিনামূল্যে ফেসবুক ব্যবহারের প্যাকেজে বিটিআরসির নিষেধাজ্ঞা টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন গলার কাঁটা ৩শ ফুট মির্জাপুরের বংশাই রোড ইতালির পত্রিকায় বাংলাদেশের ভুয়া করোনা সার্টিফিকেটের খবর ফোর-জি সম্প্রসারণে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর তাগিদ জামানতবিহীন ঋণ পাবে আউটসোর্সিংয়ের উদ্যোক্তারা
 

মির্জাপুরে করোনা যুদ্ধে অটল তারা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মানুষকে সচেতন করতে ছুটে চলেছেন প্রশাসনে কর্মরত কর্মকর্তারা। উপজেলাবাসীকে খাদ্য সামগ্রী সহায়তা প্রদান, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করছেন মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সায়েদুর রহমান। প্রতিনিয়ত সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক এলাকার জনপ্রতিনিধি, সমাজসেবক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে করোনা বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা করে যাচ্ছেন তারা। ইতোমধ্যে তাদের বিভিন্ন উদ্যোগ প্রশংসা কুড়িয়েছে উপজেলাবাসীর।

মির্জাপুরে প্রশাসনের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার কর্মহীন পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ব্যক্তি উদ্যোগে যারা অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছেন তাদেরকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সেবা কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনাও প্রদান করছেন এসব কর্মকর্তা।

অন্যদিকে গ্রাম পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী ও কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরতদের সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যহত রয়েছে। পাশাপাশি মির্জাপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় লকডাউনে থাকা ২১৫ পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

উপজেলায় এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে ১৪ হাজার ৩শ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি উদ্যোগে আরও প্রায় ১৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। এসব কাজে মির্জাপুর উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকাণ্ড সর্ব মহলে প্রশংসিত।

পাশাপাশি এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসনও। জেলা পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়ের নির্দেশে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সায়েদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশও কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করছে।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সায়েদুর রহমান বলেন, এ যুদ্ধ আমাদের একার না। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলাবাসীকে সচেতন করতে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, মির্জাপুরে যোগদানের পরই করোনার বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে মাঠে কাজ করতে হচ্ছে। মির্জাপুরবাসীকে বলব আপনারা যথাসম্ভব ঘরে থাকুন। সরকারি সকল আইন মানুন। আমরা আপনাদের পাশে আছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, করোনা ভাইরাস সারাদেশে মহামারি আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থায় উপজেলাবাসীকে সচেতন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেক জানান, উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকার পাশাপাশি উপজেলাবাসীর ভূমিকাও অনেক। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহায় কর্মহীন পরিবারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তি উদ্যোগে মির্জাপুরের কর্মহীন পরিবারে খাদ্য সহায়তা দেয়া হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা ও উৎসাহ যোগানো হচ্ছে।

মন্তব্য করুন: