১৪ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ শুক্রবার || ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম:
বন্ধ হচ্ছে করোনা লাইভ বুলেটিন, তথ্য মিলবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্বর্ণ ব্যবসায়ীর টাঙ্গাইল এর বিশেষ অভিযানে ০৬ (ছয়) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভেঙে পড়লো টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর ব্রিজ টাঙ্গাইলে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক ধরা পড়লো বহুল আলোচিত মধুপুরের চার হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সাগর আজ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বাড়ছে পেঁয়াজের ঝাঁজ ম্যানসিটিকে হারিয়ে ফাইনালে আর্সেনাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ এসপির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীসহ আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা, আটক ৩ ব্রিজ ভেঙে সিমেন্টবোঝাই ট্রাক বিলে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন লাল বাদশার দাম ৮ লাখ টাকা করোনায় আক্রান্ত এমপি জোয়াহের ঘরকে ঠান্ডা রাখার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি বিনামূল্যে ফেসবুক ব্যবহারের প্যাকেজে বিটিআরসির নিষেধাজ্ঞা টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন গলার কাঁটা ৩শ ফুট মির্জাপুরের বংশাই রোড
 

প্রথমবারের মতো করোনার পূর্ণাঙ্গ জিনচক্র আবিষ্কার

প্রথমবারের মতো দুবাইয়ের বিজ্ঞানীরা নভেল করোনা বা সার্স-কভ-২ ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনচক্র আবিষ্কার করেছেন। এক টুইটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই মিডিয়া অফিস এ তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি দুবাইয়ের মোহাম্মদ বিন রশিদ মেডিসিন অ্যান্ড হেলথ সায়েন্সেসের (এমবিআরইউ) গবেষকরা এক রোগীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তার থেকে করোনা ভাইরাস আলাদা করার পর এর সম্পূর্ণ জিনচক্র তৈরি করেছে।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে এমবিআরইউ উপাচার্য ও দুবাই কোভিড-১৯ কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের প্রধান আমির শরিফ বলেন, এ ভাইরাসের বিরুদ্ধে কৌশল এবং ক্রিয়াগুলো অবহিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দিতে পেরে আমরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান এ রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এ ভাইরাসের জিনচক্র সম্পর্কে জানা একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে। কোভিড-১৯ বা সার্স-কভ-২ নামে এ ভাইরাসটির জিনে অন্তত ৩ হাজার বেস বা লেটার রয়েছে। অনেক দেশই রোগীর নমুনা থেকে ভাইরাসটির জিনোমিক সিকোয়েন্সগুলো নিয়ে কাজ শুরু করেছে। কোনো ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর এর জিনগত উপাদানগুলোয় ছোট ছোট পরিবর্তন আসে। আর এটি পরীক্ষা করে বোঝা যায় ভাইরাসটির জিনের রহস্য।

এমবিআরইউর প্রভোস্ট, ইমেরিটাস সায়েন্টিস্ট কাউন্সিলের সদস্য এবং দেশটির কোভিড-১৯ কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পরিষদের প্রধান অধ্যাপক আলাবি আলশেখ আলি বলেন, করোনার জিনচক্র আবিষ্কার রোগটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীদের সক্ষমতার কথা জানান দেয়। যা এক বৃহত্তর অধ্যয়নের গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ। এখন আমাদের লক্ষ্য এ মহামারী শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে আক্রান্ত হওয়ার বিভিন্ন বয়সের অন্তত ২৪০ রোগীর কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা। আমরা রোগীর মধ্যে রোগের তীব্রতার তথ্যও সংগ্রহ করব, যা ভাইরাসটির বিভিন্ন অন্য প্রজাতি অন্যান্য রোগের তীব্রতার সঙ্গে যুক্ত কিনা, তা আমাদের বুঝতে সহায়তা করবে।

মন্তব্য করুন: