২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ সোমবার || ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম:
বন্ধ হচ্ছে করোনা লাইভ বুলেটিন, তথ্য মিলবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্বর্ণ ব্যবসায়ীর টাঙ্গাইল এর বিশেষ অভিযানে ০৬ (ছয়) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভেঙে পড়লো টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর ব্রিজ টাঙ্গাইলে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক ধরা পড়লো বহুল আলোচিত মধুপুরের চার হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সাগর আজ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বাড়ছে পেঁয়াজের ঝাঁজ ম্যানসিটিকে হারিয়ে ফাইনালে আর্সেনাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ এসপির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীসহ আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা, আটক ৩ ব্রিজ ভেঙে সিমেন্টবোঝাই ট্রাক বিলে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন লাল বাদশার দাম ৮ লাখ টাকা করোনায় আক্রান্ত এমপি জোয়াহের ঘরকে ঠান্ডা রাখার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি বিনামূল্যে ফেসবুক ব্যবহারের প্যাকেজে বিটিআরসির নিষেধাজ্ঞা টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন গলার কাঁটা ৩শ ফুট মির্জাপুরের বংশাই রোড
 

কৃষিই পারে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি ছোট দেশ বাংলাদেশ। ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটারের এই দেশটি সমগ্র বিশ্বে উন্নয়ন ও অগ্রগতির রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের উন্নয়নে যুগের পর যুগ ধরে অবদান রেখে চলেছে কতিপয় সেক্টর। এই সেক্টরগুলো হচ্ছে তৈরি পোশাক শিল্প, রেমিটেন্স ও কৃষি। দেশীও আয়ের সিংহভাগ আসে এই তিনটি খাত থেকে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে তৈরি পোশাক শিল্পের অবদান প্রায় ১৬%, রেমিটেন্স খাতের অবদান প্রায় ৪.৯৩% এবং কৃষি খাতের অবদান প্রায় ১৩.৬৫%।

দেশটির উন্নয়নে এই তিনটি সেক্টরের দৃশ্যত অবদান ক্রমান্নয়ে বেড়ে যাবে এমনটাই ধারণা ছিল সকলের মনে। কিন্তু ২০১৯ সালের শেষভাগে চীনে যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ হয় তা পরবর্তীতে ছড়িয়ে পরে সমগ্র বিশ্বে। আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমিও এর বাইরে নয়। ২০২০ সালের ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগী ধরা পরে। এরপর ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন অনেকে।

জুলাই ৮, ২০২০ পর্যন্ত বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৭২,১৩৪ জন ও মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৯৭ জনে। বাংলাদেশের কোভিড-১৯ সংক্রমণ মোকাবিলায় এগিয়ে এসেছে সকল ন্তরের পেশাজীবীরা। যাদের মধ্যে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করছে ডাক্তার, নার্স, পুলিশ বাহিনী, প্রশাসন ক্যাডার ও সকল স্তরের কৃষিবিদ। এ সকল পেশাজীবীরা যেমন নিরলসভাবে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ জনগণের সেবায় তেমনি নিজেরাও আক্রান্ত হয়েছেন বা হচ্ছেন এই সংক্রামক ব্যাধিতে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণজনিত কারণে দেশের উন্নয়নের চাকা সচল রাখতে এবং জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সীমিত পরিসরে কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে বিশ্ব বাজারে আমাদের তৈরি পোশাক শিল্পের চাহিদা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা দেশে চলে আসছেন অথবা রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তৈরি পোশাক শিল্পের চাহিদা কমে যাওয়ায় বেকার হচ্ছে দেশের শ্রমজীবীদের একটি বৃহৎ অংশ।

অন্যদিকে প্রবাসীরা দেশে ফেরত আসায় বেকারত্বের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্য দুইটি খাতের চেয়ে কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা সহজ হবে। এই বেকার জনগোষ্ঠীর অধিকাংশই থাকেন গ্রামাঞ্চলে। কৃষিতে বিশাল এই জনসংখ্যাকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারলে খাদ্য-নিরাপত্তার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্র তৈরিতে অবদান রাখতে পারবে।

মন্তব্য করুন: