২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ মঙ্গলবার || ৭ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম:
বন্ধ হচ্ছে করোনা লাইভ বুলেটিন, তথ্য মিলবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্বর্ণ ব্যবসায়ীর টাঙ্গাইল এর বিশেষ অভিযানে ০৬ (ছয়) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভেঙে পড়লো টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর ব্রিজ টাঙ্গাইলে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক ধরা পড়লো বহুল আলোচিত মধুপুরের চার হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সাগর আজ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বাড়ছে পেঁয়াজের ঝাঁজ ম্যানসিটিকে হারিয়ে ফাইনালে আর্সেনাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ এসপির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীসহ আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা, আটক ৩ ব্রিজ ভেঙে সিমেন্টবোঝাই ট্রাক বিলে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন লাল বাদশার দাম ৮ লাখ টাকা করোনায় আক্রান্ত এমপি জোয়াহের ঘরকে ঠান্ডা রাখার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি বিনামূল্যে ফেসবুক ব্যবহারের প্যাকেজে বিটিআরসির নিষেধাজ্ঞা টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন গলার কাঁটা ৩শ ফুট মির্জাপুরের বংশাই রোড
 

কুমুদিনীতে মারা যাওয়া গৃববধূ করোনা আক্রান্ত ছিলেন না

করোনা উপসর্গ নিয়ে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যাওয়া গৃহবধূ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ছিলেন না। মৃত নারীর নমুনা পরীক্ষার পর ফলাফল নেগেটিভ আসে। শুক্রবার রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ওই গৃহবধূকে চিকিৎসার জন্য কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পর প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া একজন ডাক্তার ও তিনজন নার্সকে কুমুদিনী হাসপাতালের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এছাড়া মৃতদেহ বহন করা অ্যাম্বুলেন্সের চালককেও স্থানীয় প্রশাসন হোম কোয়ারেন্টাইনে রেখেছেন বলে জানা গেছে।

কুমুদিনী হাসপাতাল সূত্র জানান, গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) করোনা উপসর্গ নিয়ে ওই গৃহবধূ অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তার স্বামী তাকে কালিয়াকৈর উপজেলা সদরের বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসকরা ঢাকায় নিয়ে পরীক্ষার পরামর্শ দেন। রোগীর স্বামী তাকে ঢাকায় না নিয়ে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই গৃহবধূকে মৃত ঘোষণা করেন।

করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া রোগীর চিকিৎসায় অংশ নেয়া কুমুদিনী হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ও নার্সদের ১৫ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে এবং অ্যাম্বুলেন্স চালককে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। করোনার উপসর্গ নিয়ে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন নানা সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়। পরে তারা রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে মৃত ব্যক্তির নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন।

নমুনা পরীক্ষা করা হলে শুক্রবার ফলাফল নেগেটিভ আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুরের সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায়।

ওই গৃহবধূর স্বামী একটি ওষুধ কোম্পানিতে কর্মরত। তিনি কালিয়াকৈরে চাকরি করেন বলে জানা গেছে। বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনী ইউনিয়নের কালামপুর গ্রামে।

কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায় জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে কালিয়াকৈর এলাকা থেকে এক গহবধূকে কুমুদিনী হাসপাতালে আনা হয়। কুমুদিনী হাসপাতালের জরুরী বিভাগে থাকা ডাক্তার ও নার্সরা প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করলে রোগীকে মৃত দেখতে পান। পরে তার স্বামী অ্যাম্বুলেন্সযোগে মৃতদেহ বাড়ি নিয়ে যান। রোগীটি করোনা উপসর্গ নিয়ে আসায় চিকিৎসক ও নার্সদের ১৫ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।

মন্তব্য করুন: