২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ বুধবার || ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম:
বন্ধ হচ্ছে করোনা লাইভ বুলেটিন, তথ্য মিলবে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি স্বর্ণ ব্যবসায়ীর টাঙ্গাইল এর বিশেষ অভিযানে ০৬ (ছয়) বোতল বিদেশী মদ উদ্ধারসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ভেঙে পড়লো টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর ব্রিজ টাঙ্গাইলে ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখেন ক্লিনিক মালিক ধরা পড়লো বহুল আলোচিত মধুপুরের চার হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী সাগর আজ দেশের ৯ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে বাড়ছে পেঁয়াজের ঝাঁজ ম্যানসিটিকে হারিয়ে ফাইনালে আর্সেনাল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে টাঙ্গাইল শহর রক্ষা বাঁধ পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ এসপির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে চিকিৎসক-শিক্ষার্থীসহ আরও ১৪ জন করোনায় আক্রান্ত একই পরিবারের ৪ জনকে গলাকেটে হত্যা, আটক ৩ ব্রিজ ভেঙে সিমেন্টবোঝাই ট্রাক বিলে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন লাল বাদশার দাম ৮ লাখ টাকা করোনায় আক্রান্ত এমপি জোয়াহের ঘরকে ঠান্ডা রাখার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি বিনামূল্যে ফেসবুক ব্যবহারের প্যাকেজে বিটিআরসির নিষেধাজ্ঞা টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বৃক্ষের চারা রোপণ কর্মসূচি কার্যক্রমের উদ্বোধন গলার কাঁটা ৩শ ফুট মির্জাপুরের বংশাই রোড
 

করোনা আতঙ্ক: ২৫০ শয্যার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল রোগী শূন্য

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের আতঙ্ক এখন সর্বত্র। খুব বেশি প্রয়োজন না হলে কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। কার্যত লকডাউনে রয়েছে পুরোদেশ। বিভিন্ন হাসপাতালেও করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এজন্য জটিল কোনও সমস্যা না হলে এখন কেউ আর হাসপাতালে আসছেন না। হাসপাতালে ভর্তিতেও আগ্রহ কম রোগীদের। করোনাভাইরাসের প্রভাবে অনেকটা রোগী শূন্য হয়ে পড়েছে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, রোগীর কোনও চাপ নেই। রোগীর স্বজনদের নেই কোনও ভিড়। অলস সময় পাড় করছেন হাসপাতালের ডাক্তার, নার্সসহ অন্যরা। বর্তমানে এই হাসপাতালের চিত্র অন্য যেকোনো সময়ের ভিন্ন। অথচ অন্য সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের ভিড় ঠেলে হাসপাতালে প্রবেশ করাই মুশকিল ছিল।

জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত নার্সরা জানান, রোগী নেই। কি করবো। তাই বসে থেকে অলস সময় পার করছি। যেকোনো সময় তো রোগী চলে আসতে পারে। তখনতো তাদের সেবা দিতে হবে। এজন্য আমরা আমাদের মত প্রস্তুত আছি।

জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডা. সাজিয়া আফরিন জানান, রোগী খুবই কম আসছেন। অলস বসে থাকতে হয়। তবে আমরা সবসময় প্রস্তুত থাকি রোগীদের সবরকম সেবা দেয়া জন্য।

তিনি আরও বলেন, খুব বেশি সমস্যা না হলে এখন আর কেউ হাসপাতালে আসেন না। রোগীর চাপ এখন অনেক কম। এখন শুধু দুর্ঘটনা, মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের আঘাতজনিত সমস্যা, পেট ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা নিয়ে রোগী আসেন। তাদের মধ্যে যাদের চিকিৎসা বাসায় চলতে পারে, আমরা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে তাদের ছেড়ে দিচ্ছি। তাছাড়া হাসপাতালে ভর্তির ক্ষেত্রেও রোগীদের এখন আগ্রহ কম। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে হাসপাতালে হাতেগোনা কয়েকজন রোগী ছাড়া প্রত্যেকটি ওয়ার্ডই ফাঁকা পড়ে আছে। হাসপাতালের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শয্যা রয়েছে ২৬টি। সেখানে বর্তমানে রোগী আছে মাত্র পাঁচজন। প্রতিটি ওয়ার্ডের একই দশা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, করোনাভাইরাসের আতঙ্কে এখন এই হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা অনেক কমে গেছে। এটি ২৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও অন্য সময় প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৭৫০ জন রোগী থাকে। অথচ সব ওয়ার্ড মিলে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে রোগী থাকে ১৫০ থেকে ১৮০ জন। এখন শুধু এক্সিডেন্ট, মারামারি, পেট ব্যথা ও স্ট্রোকের রোগীরাই বেশি আসছেন।

তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে বহির্বিভাগে রোগী দেখার সময় কমিয়ে আনা হয়েছে। আগে ছিল সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। এই সময়ে প্রতিদিন রোগী আসত দেড় হাজার থেকে দুই হাজার। এখন সময় কমিয়ে সকাল ৮ থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত করা হয়েছে। এখন রোগী আসে ১৮০ থেকে ২০০ জন।

করোনা রোগীদের জন্য বিশেষ ইউনিট সম্পর্কে ডা. শফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের জন্য এখানে ৮০ শয্যাবিশিষ্ট একটি বিশেষ ইউনিট খোলা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে কোনও রোগী এখানে আসেননি।

মন্তব্য করুন: